আমি জানি, আমি যা বলতে যাচ্ছি তা সমাজের নিয়মের বাইরে। কিন্তু কিছু গল্প বলা উচিত, কিছু সত্য প্রকাশ করা দরকার। আমি রীতা, বয়স বত্রিশ, আমার ছেলে রাজুর বয়স আঠারো। আমার স্বামী পাঁচ বছর আগে চলে গেছে, তখন থেকেই আমি একা। আমার শরীরটা এখনও সুডৌল, বক্ষ দুটো এখনও দৃঢ় ও আকর্ষণীয়, কোমরটা এখনও পাতলা। রাতে শুয়ে অনেক কষ্ট হতো, শরীরের তাপমাত্রা বাড়ত, কিন্তু মেনে নিতাম।
একদিন রাতে আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, হঠাৎ টের পেলাম কেউ আমার ঘরে ঢুকেছে। চোখ মেলে দেখি রাজু দাঁড়িয়ে আছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, "রাজু, এত রাতে কী ব্যাপার? কিছু লাগছে?"
সে কাঁপা গলায় বলল, "মা, আমি একটু ভয় পাচ্ছি।" আমি তাকে পাশে বসতে বললাম। সে আমার পাশে বসল, আমি তার মাথায় হাত বোলাতে লাগলাম। হঠাৎ টের পেলাম রাজুর নিঃশ্বাস গরম হয়ে আসছে, তার হাতটা আমার কোমরে ঘোরাফেরা করছে। আমি চমকে উঠলাম, কিন্তু কিছু বললাম না।
ধীরে ধীরে তার হাত আমার শাড়ির উপর দিয়ে আমার বক্ষের দিকে এগিয়ে গেল। আমি তার হাতটা সরাতে চাইলাম, কিন্তু পারলাম না। সে আমার কানের কাছে ফিসফিস করে বলল, "মা, তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি।"
আমার শরীর কেঁপে উঠল। আমি জানতাম এটা ভুল, কিন্তু আমার শরীর আমার কথা শুনছিল না। তার হাত এখন আমার ব্লাউজের ভেতর ঢুকে গেছে, আমার স্তনগুলো আলতো করে টিপছে। আমি নিঃশব্দে শুয়ে রইলাম, কিন্তু আমার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছিল।
সে আমার শাড়িটা খুলতে শুরু করল, আমি বাধা দিলাম না। আমার শরীরের ভেতর এক অদ্ভুত তৃষ্ণা জেগেছিল, যা অনেক বছর ধরে দমন করে রেখেছিলাম। রাজু আমার ব্লাউজ খুলে ফেলল, আমার স্তনদুটো বেরিয়ে এল। সে আমার একটা স্তনের বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল।
আমি আরামে শিৎকার করে উঠলাম। আমার ছেলে, যাকে আমি বুকে কোলে মেরে বড় করেছি, সে আজ আমাকে নারী হিসেবে চাইছে। তার অন্য হাতটা আমার শাড়ির নিচে ঢুকে আমার যোনির কাছে চলে এল। আমি তার হাতটা ধরলাম, কিন্তু সে ছাড়ল না।
আমি বললাম, "রাজু, এটা ঠিক না। আমি তোমার মা।"
সে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, "মা, আমি জানি। কিন্তু আমি তোমাকে চাই। তুমি একা, আমিও তোমার ছাড়া একা।"
Mom Son Sex Story
তার কথাগুলো আমার বুকের ভেতর ছুরিকাঘাতের মতো লাগল, কিন্তু সেই সাথে এক অদ্ভুত শান্তিও পেলাম। আমি আর তার হাত সরালাম না। সে আমার শাড়িটা সম্পূর্ণ খুলে ফেলল, আমি শুধু পেটিকোট আর ব্লাউজ পরে ছিলাম। সে আমার পেটিকোটের দড়ি টেনে খুলে দিল। আমি তার দিকে তাকালাম, তার চোখে ছিল নেশা আর ভালোবাসার মিশেল।
সে আমার উপরে উঠে এল, আমি তাকে বাধা দিলাম না। সে আমাকে চুমু খেতে শুরু করল, প্রথমে ঠোঁটে, তারপর গলায়, তারপর বুকে। আমি আর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলাম না, তার পিঠে হাত বুলাতে শুরু করলাম। সে আমার শরীরের সব জায়গায় চুমু খেতে লাগল, আমি তৃপ্তিতে আহ্ করে উঠলাম।
তারপর সে আমার যোনিতে মুখ দিল। আমি কেঁপে উঠলাম, এই অনুভূতি আমি অনেক বছর পরে পাচ্ছিলাম। সে আমার যোনির ভেতর জিভ ঢুকিয়ে দিল, আমি আরামে ছটফট করে উঠলাম। আমার শরীরের সব কোষ জেগে উঠল, আমি তার মাথাটা আমার যোনির দিকে চেপে ধরলাম।
কিছুক্ষণ পরে সে উঠে এল, তার লুঙ্গিটা খুলে ফেলল। আমি তার পুরুষাঙ্গ দেখে তাজ্জব হয়ে গেলাম, সেটা অনেক বড় আর মোটা। সে আমার দুই পা ফাঁক করে আমার যোনির মুখে তার পুরুষাঙ্গ রাখল। আমি ভয় পেয়ে গেলাম, কিন্তু সেই ভয়ের সাথে ছিল এক অদ্ভুত আকাঙ্ক্ষা।
সে আস্তে আস্তে তার পুরুষাঙ্গটা আমার যোনির ভেতর ঢুকিয়ে দিল। আমি ব্যথায় চিৎকার করে উঠলাম, কিন্তু সে থামল না। সে আমাকে ঠেলে ঠেলে চুদতে শুরু করল, আমি ব্যথা আর আনন্দে কাতরাতে লাগলাম। আমার ছেলে আমাকে চুদছে, এই ভাবনায় আমার শরীর আরও গরম হয়ে উঠল।
সে আমাকে বিভিন্ন ভঙ্গিতে চুদতে লাগল, আমি তার সাথে তাল মিলিয়ে দিলাম। আমি তাকে বললাম, "হ্যাঁ রাজু, আরও জোরে, আমাকে আরও জোরে চোদ।" সে আমার কথা শুনে আরও উত্তেজিত হয়ে উঠল, আমাকে আরও জোরে ঠাপাতে লাগল।
কিছুক্ষণ পরে আমি আর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলাম না, আমার যোনি থেকে রস বেরিয়ে এল। সেও আমার যোনির ভেতর তার বীর্য ফেলে দিল। আমরা দুজনেই ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়লাম। ঘরে শুধু আমাদের ভারী নিঃশ্বাসের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। আমি রাজুর বুকে মাথা রেখেছিলাম, তার হৃদস্পন্দন শুনতে পাচ্ছিলাম। কিছুক্ষণ পরে রাজু উঠে বসল, সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, "মা, তুমি কি রাগ করেছ?"
আমি তার মুখের দিকে তাকিয়ে বললাম, "না রাজু, আমি রাগ করিনি। কিন্তু আমরা কি যা করলাম, তা কি ঠিক করেছি?"
সে আমার হাতটা ধরে বলল, "মা, আমি জানি সমাজের নিয়মে এটা ঠিক না। কিন্তু আমি তোমাকে ভালোবাসি, আর তুমিও একা। আমরা কি একে অপরের এই একটা চাহিদা মেটাতে পারি না?"
তার কথায় আমি ভাবতে লাগলাম। সে ঠিকই বলেছে, আমি একা, আর সেও আমার ছাড়া একা। আমি তার দিকে তাকিয়ে বললাম, "হ্যাঁ রাজু, তুমি ঠিক বলেছ। কিন্তু এটা আমাদের গোপন রাখতে হবে।"
সে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "অবশ্যই মা, এটা শুধু আমাদের দুজনের গোপন।"
সেই রাত থেকে আমাদের সম্পর্কটা বদলে গেল। আমরা মা-ছেলে থেকে যেন প্রেমিক-প্রেমিকায় পরিণত হলাম। প্রতি রাতে সে আমার ঘরে আসত, আমরা একে অপরকে আদর করতাম। আমি তাকে আমার শরীরের সব রহস্য জানালাম, সেও আমাকে তার সব ইচ্ছেগুলো বলত।
একদিন রাতে সে আমাকে বলল, "মা, আমি তোমাকে একটা নতুন জিনিস শেখাতে চাই।" আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কী নতুন জিনিস?" সে বলল, "আমি তোমাকে মুখে করতে চাই।"
আমি চমকে উঠলাম, কিন্তু তাতে কৌতূহলও জাগল। আমি বললাম, "ঠিক আছে, তুমি করতে পার।" সে আমার মুখের কাছে তার পুরুষাঙ্গ নিয়ে এল, আমি তার পুরুষাঙ্গটা মুখে নিলাম। প্রথমে একটু অস্বস্তি লাগল, কিন্তু ধীরে ধীরে ভালো লাগতে শুরু করল। সে আমার মুখের ভেতর তার পুরুষাঙ্গ ঢুকিয়ে দিল, আমি চুষতে শুরু করলাম।
কিছুক্ষণ পরে সে আমার মুখের ভেতর তার বীর্য ফেলে দিল। আমি সবটুকু গিলে ফেললাম। সে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "ধন্যবাদ মা, তুমি আমাকে অনেক খুশি করেছ।"
আমাদের এই সম্পর্ক চলতে থাকল। আমরা দুজনেই একে অপরের কাছে শান্তি পেতাম। আমি জানতাম এটা ভুল, কিন্তু এই ভুলটা আমাদের দুজনের জন্যই সত্যি হয়ে উঠেছিল।
একদিন আমি রাজুকে বললাম, "রাজু, তুমি কি কখনও ভেবে দেখেছ, আমরা কী করছি?" সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, "হ্যাঁ মা, আমি ভেবেছি। কিন্তু আমি জানি, আমি তোমাকে ভালোবাসি, আর তুমিও আমাকে ভালোবাসো।"
আমি তার মুখের দিকে তাকিয়ে বললাম, "কিন্তু রাজু, এই ভালোবাসার ভবিষ্যৎ কী? তুমি তো একদিন বিয়ে করবে, তোমার নিজের সংসার হবে।"
Mom Son Sex Story
সে আমার হাতটা ধরে বলল, "মা, আমি বিয়ে করব না। আমি শুধু তোমার সাথে থাকতে চাই।" আমি তার কথা শুনে অবাক হলাম, কিন্তু সেই সাথে এক অদ্ভুত শান্তিও পেলাম।
কিন্তু জীবনের নিয়ম আমাদের একদিন ছাড়া দেয়নি। রাজুর একটা ভালো চাকরি হল, আমাদের অন্য শহরে যেতে হল। নতুন জায়গায় গিয়ে আমরা একটা ছোট ফ্ল্যাটে উঠলাম। সেখানে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর হল।
কিন্তু সময়ের সাথে সাথে রাজু ব্যস্ত হয়ে পড়ল। সে অনেক ক্ষণই বাড়িতে থাকত না, আমি আবার একা হয়ে পড়লাম। আমি তার জন্য অপেক্ষা করতাম, কিন্তু সে আগের মতো সময় দিতে পারত না।
একদিন রাতে সে বাড়ি ফিরে এসে বলল, "মা, আমার অফিসের একজন মেয়ের সাথে আমার বন্ধুত্ব হয়েছে।" আমি তার কথা শুনে কিছু বললাম না, কিন্তু আমার মনে একটা আঁচ লাগল।
কয়েকদিন পরে সে আমাকে বলল, "মা, আমি ওই মেয়েটিকে বিয়ে করতে চাই।" আমি তার কথা শুনে থমকে গেলাম। আমি জানতাম এই দিনটা একদিন আসবে, কিন্তু তারপরেও আমি প্রস্তুত ছিলাম না।
আমি তার দিকে তাকিয়ে বললাম, "তুমি কি ভুলে গেছ, তুমি আমাকে কী বলেছিলে?"
সে আমার হাতটা ধরে বলল, "মা, আমি তোমাকে ভালোবাসি, এটা কখনও বদলাবে না। কিন্তু আমার একটা সংসার করার স্বপ্ন আছে।"
আমি তার কথা শুনে বুঝতে পারলাম, আমাদের সম্পর্কের একটা শেষ আছে। আমি তাকে বললাম, "ঠিক আছে রাজু, তুমি তোমার সিদ্ধান্ত নাও।"
রাজুর বিয়ে হল, তার স্ত্রী একটা ভালো মেয়ে ছিল। আমি তাকে নিজের মেয়ের মতো করে গ্রহণ করলাম। রাজু তার স্ত্রীকে অনেক ভালোবাসত, কিন্তু আমার প্রতি তার ভালোবাসা কমেনি। সে রাতের বেলা আমার ঘরে আসত, আমরা একে অপরকে আদর করতাম।
কিন্তু একদিন তার স্ত্রী আমাদের গোপন সম্পর্কের কথা জানতে পারল। সে রাতে যখন রাজু আমার ঘরে এল, তখন তার স্ত্রী দরজায় দাঁড়িয়ে ছিল। সে আমাদের দেখে চিৎকার করে উঠল, তারপর কেঁদে কেঁদে বলল, "তুমি তোমার মাকেও ছাড়োনি!"
রাজু তার স্ত্রীকে বোঝানোর চেষ্টা করল, কিন্তু সে কিছুতেই রাজি হল না। সে বাড়ি ছেড়ে চলে গেল। রাজু ভেঙে পড়ল, সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, "মা, আমি সব শেষ করে দিয়েছি।"
আমি তার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বললাম, "না রাজু, তুমি কিছু শেষ করোনি। তুমি তোমার জীবনে একটা নতুন অধ্যায় শুরু করেছ।"
কিন্তু রাজু আর কিছু শুনতে চাইল না। সে আমাকে ছেড়ে চলে গেল, আমি আবার একা হয়ে গেলাম। আজ আমি বুড়ি হয়ে গেছি, কিন্তু রাজুর সাথে সেই রাতগুলোর কথা আজও মনে পড়ে। আমি জানি আমরা ভুল করেছিলাম, কিন্তু সেই ভুলটা আমার জীবনের একমাত্র সত্য ছিল।